কথাঃমিথ্যুক(Mitthuk)
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

কথাঃমিথ্যুক(Mitthuk)

কথাঃ মিথ্যুক মিথ্যা কথা বলার জায়গা পাসনি? এত মিথ্যা কথা বল কেন? মিথ্যা বলা আপনার স্বভাব। এই হল, ‘তুই’, ‘তুমি’ আর ‘আপনি’ বেলায় আমার সম্পর্কে

পুরো পড়ুন »
Kotha-Bangla-Sahitte-Bhut
General
Sudip Joarder

কথাঃ বাংলাসাহিত্যে ভূত (Bangla sahitye bhut)

কথা বাংলাসাহিত্যে ভূত ‘ভূতের গল্প’র শুরুতে উপেন্দ্রকিশোর লিখেছেন, ‘আমি ভূতের গল্প ভালবাসি। তোমরা পাঁচজনে মিলিয়া ভূতের গল্প কর,সেখানে আমি পাঁচ ঘন্টা বসিয়া থাকিতে পারি।’ শুধু

পুরো পড়ুন »
420-fish-
General
Sudip Joarder

কথাঃ আবোলতাবোল-এই সব ঠকদের কাছে ঠকেও সুখ (ei sob thokder kache thokeo sukh)

কথাঃ আবোলতাবোল এইসব ঠকদের কাছে ঠকেও সুখ ‘কত করে নিল মাছটা?’ -‘তিনশো।’ – -‘ব্যাপক ঠকিয়েছে। বাজার ঘুরে দ্যাখো গে, এ মাছ হয়ত দুশোটাকা কেজিতে সেধে

পুরো পড়ুন »
কথাঃ গরুর গাড়ির ক’টি চাকা
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

কথাঃ গরুর গাড়ির ক’টি চাকা

Gurur Garir Kota chaka কথাগরুর গাড়ির ক’টি চাকা আলাপনের বিয়েতে বরযাত্রী যাচ্ছি। পিচঢালা মসৃন রাস্তা। চারচাকা এসিতে আলাপন। পাশে আমরা ক’জন।-‘আমার বিয়েতে সবাই গিয়েছিলাম বাসে।’ 

পুরো পড়ুন »
কথাঃ পিসিমাকে আতা এনে দিয়েছিল শেরফুলের মা (pisima k ata ene diyechilo sherfuler ma)
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

কথাঃ পিসিমাকে আতা এনে দিয়েছিল শেরফুলের মা (pisima k ata ene diyechilo sherfuler ma)

পরীক্ষার খাতায় পিছনের দিকের ছাত্রদের হাবিজাবি উত্তরের সঙ্গে আমরা শিক্ষকেরা কমবেশি সকলেই পরিচিত।সেই হাবিজাবি উত্তরের মধ্যে এবার একটা ভিন্ন রকম কথা পাওয়া গেল। সহকর্মী শিক্ষকবন্ধু  ক্লাস নাইনের ভৌত বিজ্ঞানের শেষ মূল্যায়নের খাতা দেখছিলেন। কথাটা দেখালেন উনিই। প্রশ্ন ছিল,ব্লেড জলে ভাসে কোন ধর্মের জন্য। উত্তরে একটি ছেলে লিখেছে,হিন্দু ধর্মের জন্য।

পুরো পড়ুন »
গল্পঃ সাহিত্যিক/সাহিত্যিক (ছবির রবীন্দ্রনাথ ) chobir rabindranath
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

গল্পঃ সাহিত্যিক/সাহিত্যিক (ছবির রবীন্দ্রনাথ ) chobir rabindranath

গল্পঃ সাহিত্য/ সাহিত্যিক  ছবির রবীন্দ্রনাথchobir rabindranath পরমাণুবাদের জনক জন ডালটনের নাম আমরা সবাই জানি। চিকিৎসাবিজ্ঞানেও ডালটন দিয়ে একটি শব্দ আছে। ডালটনিজম। এটিরও মূলে ওই বিজ্ঞানীই।

পুরো পড়ুন »
গল্পঃ ভদ্র অভদ্র,Bhodro Abhodro
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

গল্পঃ ভদ্র অভদ্র,Bhodro Abhodro

গল্প  গল্প ভদ্র অভদ্র   ভদ্র হবার অনেক জ্বালা। রাগ হলেও খারাপ কথা বলা যায় না। সারাদিনে ক্রমাগত রাগ গিলে যেতে হয়। তারপর রাত্রে বিছানায় শুয়ে শুধু

পুরো পড়ুন »
কথাঃজাতীয় শিক্ষানীতি২০২০
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

কথাঃজাতীয় শিক্ষানীতি২০২০

কথাঃজাতীয় শিক্ষানীতি২০২০(National Educational Policy 2020 কথাঃ জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ -‘সবচেয়ে ভাল লাগে কোন বিষয়গুলো?’ আজকাল এই প্রশ্নের জবাব ভাল ছাত্রদের কাছ থেকেও পাওয়া কঠিন। ফলে প্রশ্নটাকে আরও ভেঙে ভেঙে করতে হয়। -‘অঙ্ক কেমন লাগে?’ -‘খুব ভাল স্যার।’ -‘ইংরেজি?’ -‘ভাল। তবে বাংলাটা বেশি ভাল।’ -‘আচ্ছা। -ইতিহাস?’ -‘ভাল না।’ -‘ভূগোল?’ -‘খুব ভাল স্যার।’ -ফিজিক্স আর কেমিস্ট্রির মধ্যে কোনটা অঙ্ক,ইংরেজি,ভূগোলের মত ভাল লাগে?’ -‘ফিজিক্স,ফিজিক্স স্যার।’ -‘আর বায়োলজি?’ -‘দারুণ লাগে,দারুণ স্যার।’ মনে মনে ছাত্রের খুব ভাল লাগা বিষয়গুলো জড়ো করি এক জায়গায়। অঙ্ক, বাংলা,ভূগোল,ফিজিক্স, বায়োলজি। বিচিত্র এক পাঁচের সংকলন। চলতি নিয়মে, এইচ এসে  বাংলা বাদে বাকি চারের অবস্থান একই গ্রুপে। যেখান থেকে মোট

পুরো পড়ুন »
কথাঃ সেই বাঁশি ফিরে আর আসবে কি?
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

কথাঃ সেই বাঁশি ফিরে আর আসবে কি?

কথাঃ সেই বাঁশি ফিরে আর আসবে কি?(sei bnasnhi fire ar asbe ki?) কথাঃ সেই বাঁশি ফিরে আর আসবে কি?    একটা জলের বোতল তোবড়ানো অবস্থায় পড়ে রয়েছে ড্রেনটায়। একটা টিফিনকৌটোর ঢাকনা  ওয়ার্কশপের সামনের পেয়ারাগাছটার নিচে শুয়ে আছে কাত হয়ে। একটা ঝুলকালি লাগা পোশাক ঝুলছে গোডাউনের কাছের বিবর্ণ দড়িটায়। কিন্তু টাইম অফিসের সামনের ধাপিটার নিচে প্রায়-জীবাশ্ম অবস্থায় পড়ে কী ওগুলো? তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করি। অনেককষ্টে উদ্ধার হয়, একদা ওগুলো ছিল কারও  খাদ্যাবশেষ।  এতবছরের প্রাকৃতিক ক্রিয়াবিক্রিয়া সামলে কীকরে ওরা আজও টিকে থাকল,সেই বিষ্ময়ে ওখানে কিছুক্ষণ  দাঁড়িয়ে যাই চুপচাপ। কলরব মুখরিত সেইসব অতীত দিন হঠাৎই ছুটে আসে হু হু করে। কত মানুষ,কত মেশিন,কত কর্মব্যস্ততা! ওই তো নন্দীবাবু শেডে ঢুকছেন  চার নম্বর রিংফ্রেমে আগুন লাগার খবর পেয়ে। ক্যান্টিনে ও কীসের সোরগোল? নিশ্চয় ওয়ার্কারদের  ঠিকমত খাবার দেয়নি  ভেন্ডার। এদিকে কুন্ডুবাবু টাইমফিসে দাঁড়িয়ে আছেন চিন্তিত মুখে। ব্লোরুম চালাবার লোক আসেনি।   ভাবছেন ‘বদলি’ থেকে কাউকে নেওয়া যায় কি না। এসময় দোতালা থেকে নেমে সামনে হীরা পূজারকে চলে যেতে দেখে প্রধানবাবু চেঁচান-‘ও হীরা,হীরা,এই নোটিশবইটা ম্যানেজারের টেবিলে দিয়ে এসো তো!’ ‘অনেক ফুলগাছ লাগিয়েছি মিলের নানা জায়গায়। এসো দেখাই তোমাকে।’ সম্বিত ফেরে,বন্ধ মিলের  এখনও রয়ে যাওয়া এক অফিসারের কথায়। ওঁর সঙ্গে যন্ত্রের মত এগিয়ে চলি,মিলের নানা কোনে জিনিয়া ডালিয়ার সৌন্দর্য অবলোকন করতে।   জঙ্গলে ভরা বিশাল মিলটাকে অতীতের প্রেতচ্ছবি লাগে। শেডের সামনের রাস্তাটায় দেখি ঘুঘু চরছে  একজোড়া। ভিটেতে ঘুঘু চরার পিছনে আস্ফালনের একটা গল্প থাকে অনেকসময়। এই ঘুঘু চরে বেড়ানোর পিছনে আর  যাই হোক কোনও আস্ফালন ছিল না। অথচ আজ বাস্তব এটাই যে সব কলরব থেমে গেছে। মিলের ভোঁ  বাজে না আর। বিটি রোডের ধারের গল্প লেখার জন্য সমরেশ বসু

পুরো পড়ুন »
গল্পঃ অণুগল্প (গোপাল, রাখাল)
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

গল্পঃ অণুগল্প (গোপাল, রাখাল)

   অণুগল্প      গোপাল    -শুনছেন,কলকাতায় আপনার একটা মূর্তি ভাঙা হয়েছে?    -কে ভাঙল? রাখাল না গোপাল? -গোপাল। -আমিও সেটাই ভেবেছিলাম। -কেন কেন? আপনার বর্ণপরিচয়ে তো রাখালই মন্দ ছেলে ছিল আর  গোপাল  ছিল অতি সুবোধ বালক। -আমার উপর গোপালের রাগের কারণ তো সেটাই। তোদের এক বাঙালি কবি  অনেক কাল পরে লিখেছিল না, ‘রেখেছ বাঙালি করে মানুষ করোনি।’ গোপালকেও বর্ণ পরিচয়ে সেটাই করে রেখেছিলাম। ছোটবেলায় কার না রাখাল হতে ইচ্ছে হয়?  গোপালেরও হয়েছিল।  হতে পারেনি আমার জন্য। -আপনি যা ভাবছেন তা কিন্তু নয়? এ গোপাল আপনার গোপাল নয়। -কীরকম? -এ গোপাল হল gopal,gang of party approved lumpens.-কী, চমকে গেলেন? -না চমকাইনি। চমকানোর রোগ তো মর্ত্যেই চলে গিয়েছিল। -কিছু বলবেন না,এত বড় ঘটনা! – ঘটনাটা খুব বড় মনে হচ্ছে তোর কাছে? তোদের  যারা  ওখানে লাফালাফি করছে তাদের মুখের বচনের যা বাহার,বছরভর কাজকর্মের যা ছিরি তাতে আমার আসল মূর্তিটা ওখানে তৈরিই তো হয়নি  কোনওদিন- বাইরেরটা তা সে আমার গোপাল ভাঙুক বা তোদের gopal, আমার কিন্তু কিছু এসে যায় না। -তাহলে? -আমার আর একটা মূর্তি বানিয়ে নিলেই

পুরো পড়ুন »

গল্পঃ অণুগল্প (নাথিং,সামথিং)

গল্পঃঅণুগল্প (নাথিং,সামথিং)নাথিং ছাব্বিশ জনের মধ্যে এসেছে একুশ জন। বাকি পাঁচ জন দেশের বাইরে। যোগাযোগ করে উঠতে পারেনি কলেজ। ছাব্বিশে একুশ,বেশ ভালো উপস্থিতি। মঞ্চ একেবারে ভরে

পুরো পড়ুন »
গল্পঃঅণুগল্প (হার,জিত)
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

গল্পঃঅণুগল্প (হার,জিত)

  অণুগল্পহার -স্যার,সব কটা প্রশ্নেরই ভুল উত্তর দিতে হবে কিন্তু।না হলেই–ঠিক আছে।-বেশ বলুন,পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কী?-দিল্লি।-ধান থেকে কী পাওয়া যায়?-আটা।-সূর্য কোনদিকে ওঠে?-পশ্চিমে।-কটা প্রশ্ন হয়েছে স্যার?-তিনটে।সারা ক্লাস

পুরো পড়ুন »
গল্পঃ সাহিত্য/সাহিত্যিক (ন্যাড়া নজর,nyara nojor)
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

গল্পঃ সাহিত্য/সাহিত্যিক (ন্যাড়া নজর,nyara nojor)

  গল্পঃ সাহিত্য/সাহিত্যিক(ন্যাড়া নজর) ন্যাড়া নজর দেখার যে নানান রকমফের আছে,এটা কোনও নতুন  কথা নয়। গানের লাইনেই তো আছে-‘তুমি দ্যাখো নারীপুরুষ/আমি দেখি শুধুই মানুষ।’ তবে

পুরো পড়ুন »
কথাঃআবোলতাবোল (বৃষ্টি পড়ে ঝমঝম/কালকে আমার ওজন কম)
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

কথাঃআবোলতাবোল (বৃষ্টি পড়ে ঝমঝম/কালকে আমার ওজন কম)

   কথাঃ আবোলতাবোল   বৃষ্টি পড়ে ঝমঝম কালকে আমার ওজন কম কলিংবেল বাজলেই বুক ধড়াস করে ওঠে আজকাল। আবার কে? অতিথি হলেই বিপদ। ঘরে ঢুকতে দিতে হবে। একমাত্র দুধওয়ালা ছাড়া আর কারও আসার কথা নয়। সে এসে চলে গেছে বহুক্ষণ। কে এল তবে?  সকালের মত অপরিচিত কেউ? মুখে মাস্কটা পরে নিই চটজলদি। হাতে গ্লাভস। দরজা খুলি সন্তর্পনে। ও বাবা,পাশের ফ্ল্যাটের সঞ্জু! দাঁড়িয়ে আছে। হাতে একটা লজেন্সের প্যাকেট। ভাইয়ের জন্মদিন। দিতে এসেছে। সকালের অপরিচিত মানুষটি ভুল করে বেল টিপেছিলেন। তাঁকে দূর থেকেই হটানো গিয়েছে। কিন্তু সঞ্জুকে! সঞ্জুর মুখেও মাস্ক। কিন্তু প্যাকেটটা নিতে গেলে তো হাত বাড়াতে হবে। আমার বাড়ানো হাত আর সঞ্জুর বাড়ানো হাত মিলে কি এক মিটার দূরত্ব হবে আমাদের মধ্যে? মনে মনে চটপট ছেলের বারো ইঞ্চির লম্বা স্কেলটাকে আমার হাতের গোড়া থেকে সঞ্জুর হাতের গোড়া অব্দি দূরত্বের উপর বসিয়ে যাই। ক’  স্কেল হবে? তি্ন না সাড়ে তি্ন? এক মিটার হতে তো প্রায় চল্লিশ ইঞ্চি লাগবে। আর একটু দূরে সরে যাব কি? দূরে সরলে তো প্যাকেটটাই নিতে পারব না। হঠাৎ খেয়াল হয়,লজেন্সের প্যাকেটটার দৈর্ঘ্য হিসাবে আনিনি। দুজনেই তো ছুঁয়ে আছি দু প্রান্ত। বেশ লম্বা প্যাকেট। সুতরাং… সঞ্জুও কি ভাবছে একই কথা! হয়ত। কারণ  ও-ও নিজের জায়গা ছেড়ে এক ইঞ্চি নড়ছে না। অথচ ভাইকে এমন দিনে লজেন্সের প্যাকেটটা না দিলেও ওর নয়। মনে হল বেশ বিড়ম্বনাতে পড়ে আছে সঞ্জুও।  সামাজিক দূরত্ব মেনে

পুরো পড়ুন »
কথাঃ আবোলতাবোল (আমার বাংলাদেশ)
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

কথাঃ আবোলতাবোল (আমার বাংলাদেশ)

  কথাঃ আবোলতাবোল আমার বাংলাদেশ মৈমনসিংহ,কিশোরগঞ্জ,নেত্রকোনা,পূর্বধলা ,কালদুয়ার – নামগুলো ছোটবেলাতে আমাদের চারপাশে ঘুরত,পাক খেত। কখনও বাবা সান্ধ্য মজলিসে বসে হারিয়ে যেতেন ফেলে আসা ওইসব জায়গায়

পুরো পড়ুন »
কথাঃআবোলতাবোল (সাতেপাঁচে)
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

কথাঃআবোলতাবোল (সাতেপাঁচে)

কথাঃআবোলতাবোল (সাতেপাঁচে) কথাঃ আবোলতাবোল সাতেপাঁচে আজ সকালে একটা সাতেপাঁচে থাকা লোক দেখলাম।  মুখে এন পঁচানব্বই সেঁটে চিনি কিনতে গিয়েছিলাম। দূরে নয়,পাড়ারই মুদির দোকানে।  গিয়ে মুদির দোকানের

পুরো পড়ুন »
কথাঃ আবোলতাবোল ( আজও যাঁরা পাশে)
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

কথাঃ আবোলতাবোল ( আজও যাঁরা পাশে)

  কথাঃআবোলতাবোল (আজও যাঁরা পাশে) আজও যাঁরা পাশে ওঁরা কেউ সুনীতি চাটুজ্যে বা রাধাকৃষ্ণণ নন। ওরা সাধারণ। তবু ওঁদের শিক্ষাকে পাথেয় করেই তো চলেছি আমরা

পুরো পড়ুন »
কথাঃআবোলতাবোল (সাতেপাঁচে)
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

কথাঃ আবোলতাবোল (বানর কাহিনি)

কথাঃ আবোলতাবোল বানর কাহিনি  বানরের রূপ ধরে থাকা রাজপুত্র আর তার দুখিনী মায়ের  সেই রূপকথার গল্পটা শোনাচ্ছিলাম ছেলেকে। এ গল্প  আমার কাছে ওর বহুবার শোনা

পুরো পড়ুন »
কথাঃ আবোলতাবোল (স্কুল পরিদর্শন)
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

কথাঃ আবোলতাবোল (স্কুল পরিদর্শন)

 স্কুল পরিদর্শন বিদ্যাসাগর গিয়েছেন এক গ্রামের স্কুলে। স্কুল-পরিদর্শনে। উঁচু ক্লাসের ছাত্রদের ভূগোলের বিদ্যা পরীক্ষা করতে তিনি একজন ছাত্রকে শুধোলেন-‘ বল তো,পৃথিবীর কত রকম গতি আছে? আর কোন গতির জন্য কত সময় লাগে? ছেলেটি জবাব দিল-‘পৃথিবীর তো কোনও গতি নেই।পৃথিবী স্থির হয়ে আছে।আর পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে সূর্য।’ এক এক করে সব ছেলেকে জিজ্ঞেস করে একই উত্তর পেলেন বিদ্যাসাগর। বিদ্যাসাগর ভাবলেন নিশ্চয় ,স্কুলের পন্ডিতমশাই এরকমই শিখিয়েছেন ছাত্রদের। তবু ব্যাপারটা যাচাই করার জন্য পন্ডিতমশাইকে ধরলেন।-‘ছেলেরা কী বলছে এসব? পৃথিবী নাকি স্থির,আর সূর্য ঘুরছে   পৃথিবীর চারদিকে!’  পন্ডিতমশাই বললেন-‘কেন কথাটা কি ভুল?’ -‘ভুল তো বটেই। পৃথিবী যে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে,আপনি জানেন না?’ যেন কোনও আশ্চর্য কথা শুনছেন,এমনিভাবে পন্ডিতমশাই তাকালেন বিদ্যাসাগরের দিকে।–‘সত্যি সত্যি পৃথিবী ঘোরে নাকি? আমি ভাবতাম পৃথিবী এক জায়গায় স্থির হয়ে আছে।’ বিদ্যাসাগরের মতো ভূদেব মুখোপাধ্যায়কেও অনেকদিন স্কুল ইনেস্পেক্টারের দায়িত্ব সামলাতে হয়। স্কুল ইনেস্পেকশানের সময় তাঁর একটা মজার অভিজ্ঞতা হয়েছিল

পুরো পড়ুন »
গল্পঃ অণুগল্প (কালীপুজোর রাতে)
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

গল্পঃ অণুগল্প (কালীপুজোর রাতে)

কালীপুজোর রাতে               কালীপুজোর রাতে ভূত দেখল বিনিপিসি। পিসিকে দেখে মনে হল,সাংঘাতিক ভয় পেয়েছে। শরীর কাঁপছে। চোখমুখও ঠিকরে বেরিয়ে আসছে। কীভাবে এমন হল বলতে পারছে না কেউই। আমাদের বাড়িতেও পুজো। প্রায় সকলেরই উপোস। তবে কী কারণে জানিনা বিনিপিসি এবার উপোস করেনি। সন্ধেবেলায় পিসি বলল-‘তপু লাইটগুলোর এখনও তো কিছু করলি না!’   আমি বললাম-‘সে আর কতক্ষণ লাগবে। এই যাচ্ছি ছাদে।’ পিসি বলল-‘চল আমিও যাব।’ সেইমত এসে ছাদ থেকে এলইডি চেনগুলো ঝোলাচ্ছিলাম আমরা দুজন। হঠাৎ একটা চেন পিসির হাত ফস্কে  নীচে পড়ে গেল। পিসি বলল-‘দাঁড়া আমি নিয়ে আসছি।’ পিসি গেল। আর এল না। কিছুক্ষণ পরে নীচ থেকে চীৎকার। গিয়ে দেখি পিসিকে নিয়ে ব্যস্ত সব্বাই। কেউ হাওয়া করছে,কেউ মাথায় জল ঢালছে। শুনলাম,ঘরের পিছনে পিসি ভূত দেখেছে। বাবা বলল-‘ও ঘরের পিছনটায় গিয়েছিল কেন?’ উত্তরটা কেউ জানে না,আমি ছাড়া। -‘একটা এলইডি চেন পড়ে গিয়েছিল,পিসি ওটা আনতে গিয়েছিল পিছনে।’ বললাম আমি। ঘরের পিছনটা এমনিতেই আমাদের বেশ অন্ধকার থাকে। তার উপর আজ অমাবস্যা। বাবা বলল-‘চল তো সবাই আলো নিয়ে পিছনটায়। দেখি কী দেখে ভয় পেল বিনি। বিনিকেও তোল।ও-ও চলুক আমাদের সঙ্গে। নিজের চোখেই দেখে আসুক।’ বোঝাই যাচ্ছে যে বাবা নিশ্চিত পিসি অন্ধকারে ভূত দেখেনি। অন্য কোনও কিছুকে ভূত ভেবেছে। আলো নিয়ে সবাই বাড়ির পিছনে গেলাম। গিয়ে কিন্তু আমরা সত্যি সত্যি ভূত দেখলাম। তবে প্রেতাত্মা নয়,অন্য ভূত।  পড়শি রানীদির মেয়েটা বাড়ির পিছনটায় রান্নাবাটি খেলে আমরা জানতাম। কিন্তু সে-যে এ রাতে ওখানে  এমনকান্ড করেছে তা কে জানত! গিয়ে দেখি ওর খেলাঘরের চারদিকে জ্বলছে প্রদীপ। আর ও বাড়ির  ভিতরের এমন কান্ডে নিজেকে দায়ী ভেবে একপাশে কাঁপছে থরথর করে। কিন্তু এই প্রদীপ দেখে পিসি ভয় পেল কেন? এ তো ভয় পাবার জিনিস নয়! পিসি ততক্ষণে ধাতস্থ। বলল-‘আমি এই প্রদীপগুলো দেখে অতীতে ফিরে গিয়েছিলাম। ঠিক এভাবেই আমাদের বাড়িটাকে কালীপুজোর রাতে সাজাত মানুষটা। তোমরা বিশ্বাস কর,আমি যখন এইসব ভাবছি্‌, ঠিক সেমুহূর্তে নিজের কানে শুনেছি তপুর মৃত পিসেমশাইয়ের গলা।ও বলছে-‘বাড়িতে প্রদীপ দেবে না বিনি?’-দাদা,তুমি ব্যবস্থা করো,আমি ফিরতে চাই আমার স্বামীর ভিটেতে।’    অ্যাক্সিডেন্টে পিসেমশাই মারা যাবার পর থেকেই পিসি এখানে। আমি জন্ম থেকেই পিসিকে এ বাড়িতে দেখছি। বাবা পিসিকে অনেক বুঝিয়েছে, ওখানে পিসেমশাইয়ের বিশাল সম্পত্তি,একমাত্র ছেলেটার কথা ভেবেও পিসির ওখানে যাওয়া উচিত। পিসি রাজি হয়নি। তবে দাদার উপর নির্ভরশীল নয় পিসি। টিউশন,সেলাইয়ের কাজ করে নিজের আর ছেলের খরচ পিসিই চালায়। পিসির ছেলে,রাজুদা এবার মাধ্যমিক দেবে এখান থেকেই। পিসি বাড়ি ফিরতে চায়,এর চেয়ে আনন্দের সংবাদ আমাদের বাড়িতে আর কী হতে পারে! তার

পুরো পড়ুন »

গল্পঃ সাহিত্য/সাহিত্যিক (অভিনব পাওনাদার…)

গল্পঃ সাহিত্য/সাহিত্যিক অভিনব পাওনাদার সেদিন কলেজস্ট্রিটে এক অভিনব পাওনাদারকে দেখা গেল। সাধারণত পাওনাদারের ভয়ে ঋণী ব্যক্তিকে  গা ঢাকা দিতে দেখা যায়। কলেজস্ট্রিটে সেদিন উল্টো দৃশ্য। ঋণী ব্যক্তিকে দেখে পাওনাদারই ছাতা দিয়ে নিজের মুখ আড়াল করার চেষ্টা করছেন। পাওনা টাকার পরিমাণও কম নয়। গত শতকের তিনের দশকের শেষ দিক সেটা। পাওনা টাকা পাঁচশোর মূল্য তাই অনেকটাই। পাওনাদার ব্যক্তিটি আর কেউ নন। বিভূতিভূষণ। ঋণী ব্যক্তিটিও উচ্চশিক্ষিত,আদর্শবাদী,বিলাতফেরত। নাম অশোক গুপ্ত। বিকলাঙ্গ,অপরিণতবুদ্ধি শিশুদের নিয়ে একটা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল অশোক  গুপ্ত ও তাঁর স্ত্রীর। এজন্য দরকার গ্রাম্য নির্জন একটা পরিবেশ। পছন্দ হয়েছিল ঘাটশিলার এক জনহীন স্থান। তৈরি করেছিলেন ছোট্ট একটা বাড়ি। অশোক গুপ্তের সঙ্গে বিভূতিভূষণের পরিচয় ওই সময়েই। বিভূতিভূষণ তাঁদের সাধনার কথা শুনে শুধু তাঁদের উৎসাহই দেননি। আর্থিক দুরবস্থা তখন লেখার দৌলতে অনেকটাই তাঁর ঘুচেছে। অশোক গুপ্তকে তাঁদের আর্থিক অসুবিধার জন্য পাঁচশো টাকা ধারও দিয়েছিলেন। এই ধার গুপ্তসাহেবের মনে না থাকার কথা নয়। কিন্তু তিনি নানাভাবে জড়িয়ে পড়লেন। তাঁর প্রতিষ্ঠানও  একসময় নিঃশেষ হয়ে গেল। স্বাস্থ্যও ভেঙে পড়ল তাঁর।   ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও বিভূতিভূষণ গুপ্তসাহেবের খোঁজ নিতে পারলেন না। পাছে গুপ্তসাহেব ভাবেন,টাকার  জন্যই এই খোঁজ। এরপরের ঘটনা ওই কলেজ স্ট্রিটের। কিন্তু ছাতা দিয়ে মুখ আড়াল করার আগেই সেদিন অশোক গুপ্ত  দেখে ফেলেছিলেন বিভূতিভূষণকে। -‘বিভূতি না!’ বলেই এগিয়ে এসে বিভূতিভূষণের হাতটা ধরে ফেললেন তিনি। বললেন-‘আমার একটা উপকার করতে হবে। না বললে হবে না। বল করবে!’ মানুষটির উপর বিভূতিভূষণের প্রগাঢ় শ্রদ্ধা। বললেন-‘নিশ্চয় করব। বলুন দাদা।’   -‘আমাকে ঋণমুক্ত করতে হবে। তোমার পাওনা টাকার বিনিময়ে ঘাটশিলার ওই বাড়ি নিয়ে।’ বিভূতিভূষণ প্রচন্ড আপত্তি জানালেন।-‘তা কেমন করে হবে? একখানা বাড়ির দাম পাঁচশো টাকার অনেক  বেশি!’ অশোক গুপ্ত নাছোড়। বিভূতিভূষণ বললেন,-‘বেশ। কিন্তু পাঁচশোতে নয়। আর কত টাকা আপনাকে দিতে হবে বলুন।’ গুপ্তসাহেব বললেন, -‘না, আর কিছুই তোমাকে দিতে হবে না।’ এরপরে গুপ্তসাহেব রেজিস্ট্রি করে বাড়িটা দিয়ে দিলেন বিভূতিভূষণকে।

পুরো পড়ুন »

কথা আবোলতাবোল( লিপইয়ারের গল্প,গল্প গ্রহণেরও)

কথাঃআবোলতাবোল লিপইয়ারের গল্প,গল্প গ্রহণেরও ১৯৭৭ সালে মোরারজি দেশাই যখন প্রধানমন্ত্রী হলেন  তখন আমার ক্লাস এইট। রাজনৈতিক কাজকর্ম  বোঝার তখন  বয়স নয়। খবরের কাগজ পড়াতেও অভ্যস্থ ছিলাম না। নানাজনের মুখবাহিত হয়ে চতুর্থ

পুরো পড়ুন »
dhon-amimishuk
Kotha Abol Tabol
Sudip Joarder

কথাঃআবোলতাবোল ( ধন)

কথাঃ আবোলতাবোল ধন একটা রংচটা টিনের বাক্স। বাক্সের সঙ্গে ডালার সংযোগ কবে ছিন্ন হয়েছে কেউ জানে না। তবে ডালাটা  আছে। বাক্সের উপর বসানো অবস্থাতেই। বাক্সের ডালাটা একটু তুললেই বেরিয়ে

পুরো পড়ুন »

কথাঃ আবোলতাবোল ( কলেজের দিন)

কথাঃআবোলতাবোল কলেজের দিন গোল আকারের বিস্কুট।অথচ নাম,লম্বু। কে না অবাক হবে! কল্পনা্র ঘোড়া ছুটিয়ে রীতিমত গবেষণায়  নামে সুব্রত। জয়দীপ তাল দেয়। আমি চুপ। স্কোয়ারফিল্ডের পাশে চিলতে চায়ের দোকান। শহুরে সহপাঠী জয়দীপ,সঙ্গে আমরা দুই পাড়গেঁয়ে ভূত। শীতের দুপুরে টিফিনে এসেছি তিনজনে। চা খাব,খাব লম্বু। খাওয়াবে জয়দীপই। জয়দীপ ছাড়া চা-লম্বুতে  টিফিন তখন সুব্রতর কিছুটা সীমার মধ্যে থাকলেও আমার পকেটের ভূগোলে ভাবাই যায় না। ডানহাতে লম্বু,বাঁ হাতে চায়ের কাপ এমনিতেই সঙ্কোচে থরথর। তার উপর ওরকম উটকো গবেষণায় ঢোকা- আমার কাছে বাড়াবাড়ি লাগে।    মুর্শিদাবাদের আঁচল ছোঁয়া নদীয়ার গ্রাম। সেখান থেকে সাতসকালে যখন কলেজের উদ্দেশে বের হই, চলনে বলনে লেগে থাকে বেশ একটা গর্বের ভাব। জয়েন্ট দিয়ে টেক্সটাইল কলেজে ঢুকেছি; জনরব,পাশ করার আগে প্রবেশও করে যাব চাকরিতে। গর্ব হবে না! গ্রামের সীমানা ছাড়ালেই গর্ব কিন্তু গা থেকে খুলে যায়। আর যত কলেজের কাছাকাছি আসি মিইয়ে যাই একেবারে। ভিতরে কে যেন বলে ওঠে-‘হিথায় তুকে  মানাইছে নাই গ’,ইক্কেবারেই মানাইছে নাই গ’।’ সত্যি বলতে কী,আমার বিবর্ণ পোশাক,ছেঁড়া জুতো দেখে এর সঙ্গে আমার কলেজের নাম ট্রেনের চেকারও  মেলাতে পারেন না। বিনা টিকিটের কৈফিয়ৎস্বরূপ, ছাত্র পরিচয় দাখিল করলে, এক আধদিন ওঁদের কেউ  জিজ্ঞেসও করে বসেন,  ‘ইঞ্জিনীয়ারিং’ শব্দের স্পেলিং। কলেজেও কোণঠাসা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কেতাদুরস্ত সহপাঠীরা মশকরা ছোঁড়ে,বন্ধুত্ব নয়। উঁচু ক্লাশের দাদারা আরও এককাঠি উপরে। এই  ফার্স্টইয়ারের ছাত্রের জন্য তারা ঘোষণা দিয়েছে-‘এ ব্যাটা র‍্যাগিংয়েরও অযোগ্য।’ তবু এরই মধ্যে   ব্যাচের সেরা ছাত্রটি আমার মধ্যে কী দেখেছে কেজানে,জুটেছে আমার সঙ্গেই। আর ওই জয়দীপের টানেই আমাদের দু-কামরার নির্জন ভুবনে যুক্ত হয়েছে সুব্রতর মত আরও এক আধটা খুপরি।  

পুরো পড়ুন »

কথাঃআবোলতাবোল (ছাই)

কথাঃআবোলতাবোল  ছাই ‘আমি হচ্ছি,ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো।’ কে যেন কথাটা বলল সেদিন। তখন থেকেই দেখছি কথাটা কেমন কুনকুন করছে ভিতরে। বক্তার জন্য নয়(কেননা সে অর্থে আমরা অনেকেই তো সমাজে সংসারে তাই)। কুলোর জন্যও নয়। কুনকুনানিটা ছাই-এর জন্য। শহরে তো ছেড়েই দিলাম। গ্রামের অন্দরেও এখন ঢুকে গেছে এলপিজি। ফলে ওখানে কুলো এখনও যতটা আছে,ততটা নেই ছাই। প্রাক এলপিজি যুগে ছাই ছিল আমাদের নীরব সেবায়েত। নীরব,কেননা তাঁর সেবায় আমরা এতটাই অভ্যস্ত ছিলাম,যে তাকে চোখেই পড়ত না। ভাগ্যিস

পুরো পড়ুন »

কথাঃআবোলতাবোল(ছাগল তাড়ানো বৃষ্টি)

কথাঃআবোলতাবোল ছাগল তাড়ানো বৃষ্টি বর্ষাকাল এলে আমার সবার আগে মনে পড়ে আমাদের সেই ছাগলগুলোর কথা। কেন না,ওই ছাগলগুলোর সূত্রে ছেলেবেলায় আমরা একটা আলাদা বৃষ্টি দেখতে

পুরো পড়ুন »

কথাঃ আবোলতাবোল (ভালো থাকুক শিশুরা)

কথাঃআবোলতাবোল        ভালো থাকুক শিশুরা       খবরে প্রকাশ, শিগগির খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।  ছাত্রছাত্রীদের বন্দী জীবন বহাল থাকছে জুনের পরেও  অনির্দিষ্টকাল। এ অবস্থায় পরিবার তথা জাতির ভবিষ্যতদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে

পুরো পড়ুন »

কথাঃআবোলতাবোল( ‘ও বক বকম বকম পায়রা…’)

  কথাঃআবোলতাবোল ‘ও বক বক্ বকম পায়রা…’ ‘ঝিনেদার জমিদার কালাচাঁদ রায়রা/সে-বছর পুষেছিল একপাল পায়রা।’ ছেলে পড়ছে। পাশে বসে আমি ছেলের পড়া শুনছি আর আমার সামনে ভেসে উঠছে একটা ছবি। শুধু ছবি নয়,সঙ্গে ‘আও,আও,আও’ শব্দও। পঞ্জাবের সবুজ

পুরো পড়ুন »